ভারত বিরোধিতা বনাম আমেরিকার গোলামী: বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও তুরস্কের বর্তমান পরিণতি - suexpress

Header Ads

ভারত বিরোধিতা বনাম আমেরিকার গোলামী: বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও তুরস্কের বর্তমান পরিণতি

ভারতবিরোধিতা বনাম আমেরিকার গোলামী: বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও তুরস্কের বর্তমান পরিণতি
ভারত বিরোধিতা বনাম আমেরিকার গোলামী
ভারত বিরোধিতা বনাম আমেরিকার গোলামী

ভারতের বিরোধিতা করে আজাদী হয়ে  আমেরিকার গোলামী করে ভিক্ষুক হতে চায়।

আজাদী নাকি দাসত্ব? ভারতের বিরোধিতা করে কেন সংকটে মুসলিম দেশগুলো?

ভারত বিরোধী আজাদী দেশগুলোর এখন নিষ্ঠুরতা। ভারতবিরোধিতা ও বাংলাদেশের Banglades ভবিষ্যৎ: একটি ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

মানে, আজাদী হতেছে মানে—মুসলমান দেশগুলোর উপর যারা আক্রমণাত্মক, ধ্বংসাত্মক, তাদের পক্ষ অবলম্বন করে মুসলিমদেরকে নির্যাতন নিপীড়ন করার এই আচরণ তারা কোথা থেকে শিখলো? কোন ধর্ম, কোন বলে, কোন গুণে তারা এই ধরনের আচরণগুলো শিখলো?

যাই হোক, যেটা বলছিলাম—আপনারা জানেন, তুরস্ক নিজেদেরকে খুব ভেড়ামালা রাষ্ট্র মনে করে।

অবশ্য তুরস্ক সম্পর্কে আমি অত বেশি স্টাডি করিনি, আমার সম্প্রতি সময়ও নেই।

কিন্তু আপাতত দৃষ্টিতে মিডিয়াতে যেগুলো দেখি, এবং তুরস্কের এরদোয়ানের যে স্বেচ্ছাচারিতা, যে স্বৈরাচারিতা দেখা যায়—সে দেশের মিডিয়া কার্যকর নয়।

মিডিয়া শক্তিশালী নয়।
মিডিয়া সবসময় ভয়ে থাকে।

আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের যত জায়গায় আমি উপস্থিতি দেখেছি—তার নিজের দেশ ব্যতীত যত ফাংশন, অনুষ্ঠান বা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায়—সেখানে আমি এরদোয়ানকেও দেখেছি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে সাথে থাকতে। 

এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনির সাথে হ্যান্ডশেক করা আমি দেখেছি।

 ওটা আমার আলোচনার বিষয় নয়।

এই তুরস্ক যখন বিপদ্যস্ত ছিল, তখন ভারত তাকে বিভিন্নভাবে সাহায্য–সহযোগিতা করে একটা লেভেলে নিয়ে আসছিল।

যখন লেভেলে উঠেছে, জায়গায় উঠেছে—তখন তার অতীত ভুলে গেছে।

এর নাম তুরস্ক।

অতীত ভুলে গিয়ে সে সেই ভারতেরই বিরোধিতা করছে, ভারতের সাথে শত্রুতা করছে—ভারতের যাতে ক্ষতি করা যায় এবং ভারতের যারা ছিল শত্রু, তাদেরকে সাহায্য–সহযোগিতা করতে সে সবসময় ব্যস্ত থাকে।

এবং সর্বশেষ, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে ভারতের একটা দৃঢ় সম্পর্ক বিরাজমান, তখন—মানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আশেপাশে থাকা ছাড়া তুরস্কের আর বিকল্প কোনো উপায় নেই।

কারণ তুরস্কের অর্থনৈতিক অবস্থা ভয়ানকভাবে ডেটরিয়েট করেছে—মানে একেবারে টেরিবল, হরিবল একটা সিচুয়েশন সেখানে এক্সিস্ট করছে।

মানে সেক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের হয়ে থাকা ছাড়া তুরস্কের আর কোনো উপায় নেই।

শুধু তুরস্কই নয়।

এদিকে আরেকটা আজাদী দেশ হলো পাকিস্তান। সেই পাকিস্তানেরও একই অবস্থা।

মানে গোলামী করো, দাসত্ব বলো—যাই বলো না কেন—আমেরিকার গোলামী ও দাসত্বে তারা সিদ্ধহস্ত।
আমেরিকা যা চায় তাই দিতে বাধ্য, আমেরিকা যা করতে বলে তাই করতে বাধ্য।

এমনকি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার চাওয়ার ক্ষেত্রেও নিজেদেরকে বিরত রাখতে পারেনি পাকিস্তান।

আর যখন ভারত–পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা ছিল, তখন ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য সাহায্য ও হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছিল।

পরবর্তীতে কী ঘটেছে, সেটা আপনারা অনেকবার শুনেছেন।
আমি আপনাদেরকে বলেছি, বিভিন্ন মিডিয়া থেকেও।
আপনারা দেখেছেন।

এরপর নতুন করে আবার ওই টিমে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ

পাকিস্তান, তুরস্ক এবং বাংলাদেশ—এই তিনটি দেশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভারতের বিরোধিতা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছে।

এবং আমি তো দেখতেছি—আজাদী হওয়ার নাম করে পাকিস্তান ও তুরস্কের মতো বাংলাদেশও গোলামীর দিকে যাচ্ছে।

কার গোলামী?
আমেরিকার গোলামীর দিকে যাচ্ছে।

আপনি দেখেন—বাংলাদেশের Banglades আর কোন সেক্টর সুস্থ আছে? কোন সেক্টর ভালো আছে? কোন বিষয়টি ভালো আছে?

একটা সেক্টর, একটা বিভাগ, একটা ক্ষেত্র, একটা শিল্প, একটা বাণিজ্য, একটা সংস্কৃতি—কোন জায়গাটাকে আপনি সুস্থ ও স্বাভাবিক দেখছেন?

India-Bangladesh relations
India-Bangladesh relations

একদম জাস্ট লাইক পাকিস্তান।
জাস্ট লাইক তুরস্ক।

এরপরে আবার আজারবাইজান—মানে মুসলিম দেশ। আমি ভাবলাম, মনে হয় একটা ভালো দেশ। কিন্তু দেখলাম, সেই আজারবাইজান থেকে এলএনজি গ্যাস কিনবে সকার ট্রেডিং থেকে।

কিন্তু সেই সকার ট্রেডিং-এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ঘুষের অভিযোগ আছে। শুধু দুর্নীতি–ঘুষ নয়, তাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনেরও অভিযোগ আছে। তারা নানা অপরাধে অভিযুক্ত, এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টি স্বীকৃত ও প্রমাণিত।

এরপরে দেখেন—ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কী পরিমাণ উত্তেজনা বিরাজমান।

যেকোনো সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা করতে পারে। শুধু হামলাই নয়—ইরানের ভেতরে যে বিদ্রোহ, যে জাগরণ চলছিল, সেখানে খামিনী সরকারের বাহিনী অন্তত ৪০,০০০ মানুষকে হত্যা করেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষিপ্ত ও রাগান্বিত। সর্বদিক থেকে ঘিরে প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে।

যেকোনো সময় তারা বড় ধরনের একটা অ্যাটাক করতে পারে।

India-Bangladesh relations and the impact of US foreign policy.
India-Bangladesh relations and the impact of US foreign policy.

এখন দেখেন—এই মুহূর্তে ইরানের প্রতিবেশী রাষ্ট্র তুরস্ক। ইরানের সাথে তুরস্কের প্রায় ৫০০ কিলোমিটারের সীমান্ত রয়েছে।

এই সীমান্ত দিয়ে যাতে করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বড় হামলা করলে ইরান থেকে জনগণ আশ্রয়প্রার্থী হয়ে তুরস্কে ঢুকতে না পারে—সেজন্য তারা সীমান্তে একদম যুদ্ধকালীন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

যাতে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ—যেমন বাংলাদেশের রোহিঙ্গারা ঢুকে পড়েছে—ওই ধরনের ঘটনা না ঘটে।

অর্থাৎ, ইরানের কোনো লোক যেন তুরস্কে ঢুকতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করে রেখেছে।

এর নাম কী?
ইরান—আজাদী দেশ।
ইসলামপ্রিয় দেশ।

এগুলো সব মুখের কথা, ভাড়ের ভবানী।

লোক দেখানো কালচার।

আজ আপনি দেখেন—যত দেশ যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থায় সংগ্রাম করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে বা শান্তিতে থাকার চেষ্টা করেছে, তাদের দুঃসময়ে যে দেশটি পাশে দাঁড়িয়েছে—সেই দেশটির নাম ভারত।

আর এই আজাদীরা দেখেন—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সক্ষমতা তাদের নেই, থাকার কথাও নয়। কিন্তু তারা ঠিকই ভারতের বিরোধিতা করছে।

ভারতবিরোধিতা করার ফলে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা একেবারে ক্লপস হয়ে গেছে।

তারা ভাবছে—ভারতের বিরোধিতা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে থাকলে হয়তো ডেভেলপমেন্ট হবে।

কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক সত্য হলো—ভারতবিরোধিতা করে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোলামী–দাসত্ব করে তারা দ্বীনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

তাদের কোনো অর্থনৈতিক অগ্রগতি হচ্ছে না, উন্নতিও হচ্ছে না।

এটাই বাস্তবতা।

আজাদীদের চরিত্র ঠিক এমনই।

কারণ তারা প্রয়োজনে প্রতিবেশী মুসলিম রাষ্ট্রকেও ব্যবহার করবে।
উস্কানি দেবে।

ক্রিকেট খেলাকে দেখেন—পাকিস্তান ঠিকই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে গেছে।
আর তাদের উস্কানিতে পড়ে, প্ররোচনায়—“বড় ভাই পাশে আছে”—এই ভেবে অনেকে সরে আসলো।

দিন শেষে পাকিস্তান কিন্তু গিয়ে ক্রিকেট খেলছে।

এটাই বাস্তবতা।

ভারতের বিরোধিতা করছে আজাদীরা, কিন্তু নিজের দেশের মানুষকে, নিজের ধর্মের মানুষকেও তারা সাহায্য করে না।

তবুও তারা ভারতের বিরুদ্ধে লেগে আজাদী সাজতে চায়,
কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোলামী করতে চায়।

এটাই বাস্তবতা।

সবাইকে ভালো রাখুক, সুস্থ রাখুক।

  • ভারতবিরোধিতা (Anti-India sentiment)

  • আমেরিকার গোলামী (Subservience to America)

  • বাংলাদেশের ভূ-রাজনীতি (Bangladesh Geopolitics)

  • তুরস্ক ও এরদোয়ান (Turkey and Erdogan)

  • পাকিস্তান সংকট (Pakistan Crisis)

  • ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারত (Donald Trump and India)

  • ইরান-আমেরিকা উত্তেজনা (Iran-USA tension)

  • আজাদী আন্দোলন (Azadi movement)

  • আজারবাইজান এলএনজি চুক্তি (Azerbaijan LNG deal)

  • দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি (South Asian Politics)

#বাংলাদেশ #ভারতবিরোধিতা #রাজনীতি #তুরস্ক #পাকিস্তান #আমেরিকা #ডোনাল্ডট্রাম্প #ভূরাজনীতি #অর্থনৈতিক_সংকট #Azadi #BangladeshPolitics #SouthAsia #Geopolitics

No comments

Powered by Blogger.